Category Archives: Health

মিষ্টি খাওয়ার সঠিক সময় কোনটি?

 

ভাবছেন, মিষ্টি তো মিষ্টিই! এটা খাওয়ার আবার সঠিক সময় কী? হ্যাঁ, আসলেই কিন্তু মিষ্টি খাওয়ারও সময় আছে। এবং এটা মোটেও আমাদের কথা নয়, ডাক্তারের কথা! মিষ্টি জাতীয় খাবার এমনিতেই আপনার দেহের জন্য খুব একটা ভালো নয়।

কারণ এতে নষ্ট হয় দাঁত, বাড়ে ওজন, মিষ্টি প্রীতি নষ্ট করে দিতে পারে আপনার সৌন্দর্যও। একই সাথে আপনি যখন-তখন মিষ্টি খেলে শারীরিক ক্ষতিগুলোর সম্ভাবনাটাও বেড়ে যায় অনেকখানি।

যেমন, চিকিৎসকদের মতে রাতের বেলা মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত নয় মোটেই। অনেকেই রাতে খাবারের পর একটু ডেজারট চেখে থাকেন, যেটা আসলে স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে। মিষ্টি খেয়ে দাঁত না মাজলে দাঁতের ক্ষতি তো হবেই, এর সাথে রাতের বেলা মিষ্টি খাওয়ায় বেড়ে যায় ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকিও।

কেননা দিনের শুরুতে আমাদের মেটাবলিজম বা হজম ক্ষমতা থাকে উচ্চ। এই সময়ে যা খাওয়া হয়, তাঁর প্রায় পুরোটাই হজম ও খরচ হয়ে যায় শরীরের পেছনে। তাই একটুখানি মিষ্টি খুব একটা ক্ষতি করতে পারে না আপনার শরীরের। কিন্তু বেলা বাড়ার সাথে সাথে খমে আসে মেটাবলিজম হার। ফলে এই সময়ে মিষ্টি কেন, উচ্চ ক্যালোরি যুক্ত যা খাবেন, সেটাই জমে যাবে আপনার শরীরের।

তাছাড়া সন্ধ্যায় বা রাতে মিষ্টি খাওয়ার সাথে আছে অনিদ্রার সম্পর্কও! গবেষণায় দেখা যায় যারা সন্ধ্যায় বা রাতে মিষ্টি খান, তাদের মাঝে রাত গভীর হওয়ার সাথে সাথে মিষ্টি খাবার ইচ্ছা আরও প্রবল হতে থাকে। এবং এই ইচ্ছার কারণেই শুরু হয় তাদের অনিদ্রার সমস্যা।

তবে মিষ্টি খাবার খেলে খাবেনটা কখন?

চিকিৎসকেরা বলেন, মিষ্টি খাওয়া চলতে পারে দুপুর ১১ টার স্ন্যাক্সের ফাঁকে। তবে লাঞ্চের পর মিষ্টি খাবেন না। আবার মিশ্তিতা চলতে পারে বিকাল ৪ টার চায়ের টেবিলেও।

সন্ধ্যা হয়ে গেলেই মিষ্টি থেকে ফিরিয়ে নিতে হবে মুখ। আর ভরপেট খাওয়ার পর মিষ্টি খাওয়া চলবে না মোটেও। আর এখানে মিষ্টি খাবার বলতে মিষ্টি জাতীয় সকল খাবারকে বোঝানো হয়েছে। কেক বিস্কুট হতে শুরু করে বাঙালি মিষ্টি কিংবা চকলেট পর্যন্ত।

সাতক্ষীরার খাটি ছানার মিষ্টি অর্ডার করার জন্নে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

web site: www.satkhirashop.com
contrect no: 01916567044

facebook page: SatkhiraShop

Tags: , , , ,

‘ঘি’-এর অভাবনীয় স্বাস্থ্য উপকারিতা

পরিশেষে আধুনিক বিজ্ঞান ঘি খাওয়া শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী তা প্রতিপাদন করতে পেরেছে। যা আমাদের পূর্বপুরুষ শতাব্দী আগে থেকে বলে আসছেন। আমরা সকলে জানি, অতিরিক্ত ঘি খাবার ফলে শরীরের বিভিন্ন ধরণের সমস্যা হয়ে থাকে। কিন্তু এর স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে আমরা সকলে অবগত নই। আসুন এর স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক-

. ওজন হ্রাস করে:
জলপাইয়ের তেল ও নারিকেলের তেলের মত ঘি’তেও সে সমস্ত স্বাস্থ্যকর পুষ্টি বিদ্যামান, যা আপনার শরীরের চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে এবং ওজন হ্রাস করে।

. শক্তি বৃদ্ধি করে:
ঘি’তে মধ্যম চেইন ফ্যাটি এসিড বিদ্যামান। যা, লিভার সরাসরি শোষণ করতে পারে এবং দ্রুত বার্ন করতে পারে। আমরা যে সকল কার্বযুক্ত খাবার গ্রহণ করি, তার মধ্যে এটি শক্তির একটি স্বাস্থ্যসম্মত উৎস।

. মারাত্মক রোগের ঝুঁকি কমায়:
ঘি’তে লিনলিয়েক এসিড সমৃদ্ধ, এটি এক প্রকার ফ্যাটি এসিড যা প্লাককে প্রতিরোধ করে ক্যান্সার, ডায়াবেটিস এবং হার্টের বিভিন্ন রোগ দূর করে।

. কোলেস্টেরল কমায়:
ঘি’তে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড বিদ্যামান। যা আমাদের কোলেস্টেরল কমিয়ে ফেলে এবং হার্টের সুরক্ষা প্রদান করে।

. হজম শক্তি বৃদ্ধি করে:
ঘিয়ে রয়েছে বুট্রিক অ্যাসিড, একটি সংক্ষিপ্ত চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড যার বেশ কিছু সুবিধা আছে। অনেক সুবিধার মধ্যে, সবচেয়ে কার্যকরী সুবিধা হল, এটি হজম শক্তি বৃদ্ধি করে। আমাদের শরীর ফাইবারকে butyric অ্যাসিডে রূপান্তর করে। তাই, ঘি খাবার ফলে Butyric অ্যাসিড পরিপাক নালীর কাজে সাহায্য করে এবং এটি সুস্থ রাখে।

. ইমিউনিটি উন্নত করে:
Butyric অ্যাসিড শরীরের ইমিউন সিস্টেমের দক্ষতা বৃদ্ধি করে। এটি শরীরের ক্ষতিকারক সেল ধ্বংস করতে পারে।

. প্রদাহ দূর করে:
প্রদাহ দূর করার এটি একটি প্রাকৃতিক উপায়। নিয়মিত ঘি খাদ্য তালিকায় রাখলে, তা শরীরের প্রদাহ দূর করে।

. ক্ষুধা কমায়:
হজম শক্তি বৃদ্ধির সাথে সাথে এটি ক্ষুধা কমানোর ক্ষেত্রেও ব্যাপক ভূমিকা পালন করে।

. চোখের স্বাস্থ্য ভাল করে:
ঘি ভিটামিন ‘এ’ তে সমৃদ্ধ। যা আমাদের চোখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

১০. মানসিক বিষক্রিয়াগত মাথাব্যথা মুছে ফেলে:
গবেষণায় দেখা যায়, নেতিবাচক আবেগের একটি রাসায়নিক রচনা রয়েছে এবং তা হল এইসব রাসায়নিক পদার্থের মধ্যে অস্বাস্থ্যকর চর্বি রয়েছে। ঘি একটি সুস্থ চর্বি যা এই আবেগ পোষণ করে না। এর পরিবর্তে এটি তাদের খুঁজে ফ্লাশ করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।–সূত্র: ইন্ডিয়া টাইম্‌স।